Očekává se, že společnosti Mag 7 letos utratí 650 miliard dolarů na kapitálové výdaje a výzkum a vývoj, což je částka vyšší než roční veřejné investice britské vlády.
শুক্রবার EUR/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা পরিলক্ষিত হয়েছিল, তবে সামগ্রিকভাবে অস্থিরতার মাত্রা খুব কম ছিল। বুধবার বা বৃহস্পতিবারের তুলনায় মার্কেটে ইউরো ক্রয় এবং মার্কিন ডলার বিক্রির প্রবণতা কিছুটা মন্থর ছিল। উল্লেখ্য, সপ্তাহের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বিষয়ক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যেগুলোর ফলাফল মার্কিন ডলারকে শক্তিশালী করতে পারত—এবং তাত্ত্বিকভাবে সেটা হওয়ারই কথা ছিল। তিনটি প্রতিবেদনেই মুদ্রাস্ফীতির হার প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ছিল, যা ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতি কঠোর করার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। অথচ, গত এক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই মার্কিন ডলারের দর বাড়ছিল, যা অনেক সময় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও মৌলিক পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। এই ধরনের পরিস্থিতি চিরকাল অব্যাহত পারে না; তাছাড়া মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির পেছনে থাকা অধিকাংশ কারণই ইতোমধ্যে মার্কেটে প্রতিফলিত হয়ে গিয়েছিল। শুক্রবার ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বক্তব্য রাখলেও নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেননি। ট্রেডাররা মুদ্রানীতির ক্ষেত্রে আরও হকিশ বা কঠোর অবস্থান সংক্রান্ত জোরালো বার্তার প্রত্যাশা করেছিল, কিন্তু তা না পাওয়ায় বিভিন্ন মার্কেটে মার্কিন ডলারের আরও দরপতন ঘটে। সব মিলিয়ে, মার্কিন ডলারের আরও মূল্য বৃদ্ধির পেছনে মৌলিক কোনো কারণ খুব একটা অবশিষ্ট নেই।

শুক্রবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে তিনটি কার্যকর ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত গিয়েছিল। প্রথমে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.1198–1.1218 এরিয়া থেকে বাউন্স করে, এরপর 1.1267–1.1275 এরিয়ার দিকে এগিয়ে যায়, সেখান থেকে আবার বাউন্স করে এবং পুনরায় 1.1198–1.1218 জোনে ফিরে আসে। নতুন ট্রেডাররা সারাদিনে সর্বোচ্চ তিনটি ট্রেড ওপেন করতে পারতেন, যার মধ্যে সম্ভবত দুটি লাভজনক ছিল।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে এখনও EUR/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা পূর্ণাঙ্গ প্রবণতার রূপ নিয়েছে; তবে এমন কিছু কারণ দেখা যাচ্ছে যা থেকে মনে হতে পারে যে এই প্রবণতাটি হয়তো সমাপ্তির পথে এগোচ্ছে। গত কয়েক মাসের সার্বিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, টানা এক মাস ধরে এভাবে ইউরোর দরপতন হওয়ার কথা ছিল না। বর্তমানে মার্কিন ডলার ওভারবট কন্ডিশনে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে এবং ইউরোর পক্ষে বিদ্যমান অনেক ইতিবাচক মৌলিক বিষয়কে উপেক্ষা করা হয়েছে।
সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.1198–1.1218 এরিয়ার নিচে স্থিতিশীল হলে নতুন ট্রেডাররা নতুন শর্ট পজিশন বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.1132–1.1140-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই পেয়ারের মূল্য 1.1198–1.1218 এরিয়া থেকে রিবাউন্ড করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.1267–1.1275-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা উচিত: 1.1011, 1.1088, 1.1132–1.1140, 1.1198–1.1218, 1.1267–1.1275, 1.1366–1.1377, 1.1461–1.1474, 1.1527–1.1531, 1.1584–1.1594, 1.1655–1.1665। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোজোনে উল্লেখযোগ্য কোনো ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, তাই মার্কেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির মতো তেমন কিছু থাকবে না। চলতি সপ্তাহ বেশ সক্রিয়ভাবে শুরু হয়েছে—ফ্রান্সের চলমান ঘটনার প্রভাবে নতুন করে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেয়েছিল—তবে এরপর কারেন্সি মার্কেট শান্ত হয়ে এসেছে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।